May 21, 2022, 2:34 pm

শিক্ষক সমিতি করতে অসুবিধা কেন?

আজিজুর রহমান
  • প্রকাশের সময়ঃ Sunday, March 20, 2022
  • 146 বার
বাশিস

আইএলও সনদ অনুযায়ী একজন শিক্ষক তাঁর ন্যায্য অধিকার আদায়ে পেশাজীবী সংগঠন করতেই পারে। এতে দোষের কিছু নেই। ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় অশিক্ষিত সভাপতি না বুঝে শিক্ষকদের disturb করছে। এজন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয়করণের দাবি গণভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একবার বুঝতে পারলে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ তথা বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শন বাস্তবায়ন হবেই ইনশাআল্লাহ।

করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেক শিক্ষক এবং অভিভাবকদের অর্থনৈতিক সংকট চরম পর্যায়ে। অনেক অভিভাবক তার সন্তানের শিক্ষার খরচ বহন করতে ব্যর্থ। ছাত্র তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন দিতে না পেরে আত্মহত্যা করছে। তাই অবিলম্বে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ঘোষণা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ২৫% ঈদ বোনাস দীর্ঘ ১৮বছরেও পরিবর্তন হলোনা। ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা আর সামান্য বেতন নিয়ে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বাজারে শিক্ষকদের জীবন আর চলছে না।

মুজিববর্ষে শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে এমনটি আশা করেছিল শিক্ষক সমাজ কিন্তু একটি অশুভ চক্র শিক্ষকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু হলোনা, যা করতে সরকারের কোষাগারের কোন টাকা লাগত না।

অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকদের মোট সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে বিনা বেতনে পাঠদান করে আসছে এসব শিক্ষকগণ। মুজিববর্ষেই এমপিওভুক্ত হবেন এমন আশা নিয়ে দিন গুনছেন অনার্স মাস্টার্স শিক্ষকরা।

স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা গুলোও জাতীয়করণ হলোনা। অনেক কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকরা করোনা পরিস্থিতির কারণে বেকার হয়ে পড়েছেন। নিজের জমানো টাকা শেষ, স্কুল বিক্রি করেও তাদের শেষ রক্ষা হয়নি।

ম্যানেজিং কমিটির কারণে অনেক শিক্ষক আজ চাকরি হারিয়ে বেকার। অন্যায় বা দুর্নীতি না থাকলেও মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে শিক্ষকদেরকে বরখাস্ত করে, হয়রানি করছে কমিটি নামক অশুভ চক্র। এর সাথে যুক্ত হয় নিরুপায় কিছু অসহায় শিক্ষক।

ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে কুপরামর্শ দিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ঘায়েল করার হীন চেষ্টা অব্যাহত রাখে। এদের কারণেই বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে মারাত্মক ভাবে।

একটি সাময়িক বরখাস্তে শুধু একজন শিক্ষক নয় পুরো পরিবারটি নীরবে নিভৃতে কেঁদে কেঁদে শেষ হয়ে যায়। ঐ পরিবারের আর কেউ খবর রাখে না।

শিক্ষা ও শিক্ষকদের এবং দেশ বাঁচাতে শিক্ষা জাতীয়করণের কোন বিকল্প নেই। রাগ আর অভিমান এবং আমিত্ব মুছে ফেলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে শিক্ষক সমাজকে। নতুবা আর কিছুই আদায় হবেনা।

ধন্যবাদান্তে
মোঃ নজরুল ইসলাম রনি
সভাপতি
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, বাশিস ও মুখপাত্র
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম।

শেয়ার করুনঃ

এই বিভাগের আরও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© 2021 Shiksha Pratidin | All rights reserved.
Theme Developed BY ThemesBazar.Com